কমিক্‌স সম্ভার — তিয়ুদাদ ~ ওয়াচমেন ~ ফ্যান্টম ~ টিনটিন ~ কুইক ও ফ্লাপকে ~ পেপি ~ ব্যাটম্যান ~ সুপারম্যান ~ হাল্ক ~ জেমস বন্ড ~ ডেথ নোট ~ মিলো মানারা ~ দ্য মমি ~ দ্য থিং ~ ব্লেয়ার উইচ ~ আগাথা ক্রিস্টি ~ এডগার অ্যালান পো

Wednesday, September 18, 2019

Watchmen by Alan Moore & Dave Gibbons (Translated in Bengali)

ওয়াচমেন (১ম অধ্যায়) —অ্যালান মুর ও ডেভ গিবন্‌স

ওয়াচমেনের নাম করলেই প্রথম যে নামটা মাথায় ভেসে আসে, তিনি হলেন অ্যালান মুর। ফ্রাঙ্ক মিলারের ভক্তদের একটু রাগিয়েই বলছি, আমার কাছে মুর শুধুমাত্র গল্প লিখেও মিলারের থেকে অনেক এগিয়ে— যেখানে মিলার গল্পের সাথে সাথে ছবিও আঁকেন। যাকগে, “মুর না মিলার, কে বড়?” তা নিয়ে তর্ক বাঁধিয়ে লাভ নেই, তবে আমি যে মুরের ভক্ত সেই রহস্য ভেদ করার জন্য কোনও পুরস্কার নেই! মুরের আমি প্রথম যে কাজটা দেখি সেটা হল “দ্য কিলিং জোক”— এই বিশেষ কমিক্‌সটা নিয়ে আমি আর বেশি কথা বাড়াতে চাই না, কেননা এর সাথে এক “হৃদয়বিদারক স্মৃতি” (এক বিশেষ জনকে উদ্দেশ্য করে বলছি, আমি কিন্তু কিছুই বলিনি!) জড়িয়ে আছে! তা, এই “কিলিং জোক” পড়ে আমি তো “কিলিং” হয়ে পড়েছিলাম, তারপরই মুরের সব কাজ চাক্ষুষ করার ‘লোভটা’ জেগে ওঠে। বেশ ভালই চলছিল, কিন্তু চলতি বছরের জুলাই মাস নাগাদ একটা মুষড়ে পড়া খবরে চোখ পড়ে—যে অ্যালান মুর নাকি লেখালেখি থেকে অবসর নিচ্ছেন! ভক্তরা সবসময়ই তাদের ভালবাসার লোককে তাঁদের সৃষ্টির মধ্যে দেখতে পছন্দ করে, মনে মনে মুরের ফিরে আসার বাসনা নিয়েও বলছি—উনি একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—“মুরের লেখনীর আর সেই ধার নেই” শোনার থেকে “মুরের থেকে আরও অসাধারণ কাজ আমরা পেতে পারতাম” শোনা অনেক ভাল! ধন্যবাদ, অ্যালান মুর, এত বছর ধরে আমাদের এত দারুণ দারুণ কাজ উপহার দেওয়ার জন্য!

গল্পকার অ্যালান মুর
অঙ্কন-শিল্পী ডেভ গিবন্‌স

এবার ওয়াচমেনের বাংলা অনুবাদের প্রসঙ্গে আসি— ওয়াচমেন অনেক দিন থেকেই বাংলায় করার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু ঠিক সাহস পাচ্ছিলাম না, কেননা ওয়াচমেনে এত রেফারেন্সের ছড়াছড়ি যে ভাবানুবাদ তো দূর, আক্ষরিক অনুবাদ করতে গেলেও দাঁত (পড়ুন কী-বোর্ড) ভেঙে যাওয়ার জোগাড় হয়! চলতি বছরের গোড়ার দিকে কলেজ স্ট্রিটের আড্ডায় “চিত্রচোর” রূপক ঘোষ এরপরে কীসে হাত দেওয়া হবে জিজ্ঞেস করাতে সাতপাঁচ না ভেবে ওয়াচমেন বলে দিই, শুনে ও বলে যে ওরও নাকি ওয়াচমেন করার ইচ্ছে ছিল, না-করার কারণগুলো প্রায় একই (সময়, সাহস)। এরপরেই ও ওয়াচমেনের প্রচ্ছদ করার প্রস্তাব দেয় (প্রস্তাবটা অবশ্য ওয়াচমেনে হাত দেওয়ার পর পাকাপাকি হয়), যেটা শুনে মনে মনে দু’হাত তুলে নেচে উঠেছিলাম— “হুঁ, হুঁ, বাওয়া! এত দিনে একটা ‘শোধ’ তোলা গেছে!” তা অনুবাদে হাত দিয়ে দাঁত / কী-বোর্ড সবই ভাঙচুর হয়, সবথেকে যেটা বেশি হয়েছে সেটা হল অনুবাদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর গ্রাফিতি, পোস্টার, ওনোম্যাটোপিয়া (এই পর্বে অবশ্য এই জিনিসটির অনুপস্থিতিটাই বেশি চোখে পড়বে), এসব বাংলায় রূপান্তরিত করা হবে কিনা ভেবে-ভেবে। পরে অবশ্য সে-দ্বন্দ্বযুদ্ধের পাঁকে পড়ে বারবার অনেক কিছুরই পরিবর্তন করতে হয়েছে। অনুবাদে হাত দেওয়ার পর নমুনা হিসেবে কমিক্‌স-বন্ধু / সিনিয়রদের এক-দু’পাতা দেখানোয় ইন্দ্রনীল কাঞ্জিলাল দা’ নিজে থেকেই প্রুফ-রিডারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন (আর আমিও হাঁফ ছেড়ে বাঁচি!)। এবার নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন ওয়াচমেন বাংলায় ‘তৈরি’ করতে এতটা সময় কেন লেগেছে। বাদবাকিটা এবার আপনাদের হাতে, পড়ে আপনাদের ভাল লাগলে আমাদের এই পরিশ্রম সার্থক বলে মনে করব। আর হ্যাঁ, মাতৃভাষায় আরও বেশি বেশি করে কমিক্‌স পড়ুন ও পড়ান। আজ এখানেই শেষ করছি তাহলে, ভাল থাকবেন, পাশে থাকবেন!


ওয়াচমেন: মূল কাহিনী— অ্যালান মুর। আঁকা— ডেভ গিবন্‌স। রঙ— জন হিগিন্‌স। প্রথম প্রকাশ— সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬।

কাহিনী ও অঙ্কনের মেলবন্ধন

বাংলা সংস্করণের পরিকল্পনা, অনুবাদ, বর্ণসংস্থাপন ও সম্পাদনা
— দেবাশীষ কর্মকার। বর্ণ, শব্দ ও বাক্য পরিমার্জনা— ইন্দ্রনীল কাঞ্জিলাল। প্রচ্ছদ রূপান্তর— রূপক ঘোষ।

মূল এবং রূপান্তরিত প্রচ্ছদ



Monday, July 22, 2019

Death Note: Volume 1, Chapter 2 — L (Translated in Bengali)

ডেথ নোট: ১ম খণ্ড, ২য় পর্ব — এল্‌


মাঙ্গা কী সেটা মাঙ্গা-প্রেমী, অ্যানিমি-প্রেমী ও কমিক্‌স-প্রেমীরা কমবেশি সকলেই জানেন; সোজা কথায় মাঙ্গা জাপানের কমিক্‌স। মাঙ্গা নিয়ে পছন্দ-অপছন্দের ঘ্যানঘ্যানানি না শুরু করে আজ মাঙ্গার একটা ‘বিশেষ অসুবিধে’র (কয়েক জনের মতে) কথা বলি। সোজা ভাষায় বললে ‘টেকনিক্যাল’ অসুবিধে; কেননা মাঙ্গা পড়তে হয় ডানদিক থেকে বাঁদিকে (এই মাঙ্গাটির ১ম পর্বে মাঙ্গা কীভাবে পড়তে হয় সেটা একটা ছবির সাহায্যে বোঝানো ছিল)— যেটা আমাদের কাছে প্রথম-প্রথম একটু খটোমটো লাগে বৈকি, যেহেতু আমরা বাঁদিক থেকে ডানদিকে লেখা পড়ে অভ্যস্ত। তো এই চিন্তাভাবনা থেকেই একটা পরীক্ষা করার চিন্তাভাবনা করলাম (খেয়েদেয়ে কাজ না থাকলে যা হয় আরকি!), ব্যাপারটা হয়তো আগেও অনেকেই বা কেউ করেছেন, তাই আমিই এই পরীক্ষা নতুন করেছি বলে বুক বাজাব না! কী পরীক্ষা সেটা আপনারা না হয় মাঙ্গাটা পড়েই আমাকে জানান।
আজ থাকছে আপনাদের জন্য ‘ডেথ নোট’-এর ১ম খণ্ডের ২য় পর্ব— ‘এল্‌’। কাহিনি — সুগুমি ওহোবা, ছবি — তাকেশি ওবাতা। অনুবাদ ও সম্পাদনা — দেবাশীষ কর্মকার।
বিশেষ পরীক্ষাটা কেমন লাগল, বা অনুবাদ কেমন লাগল, বা আরও ভালমন্দ কিছু বলার থাকলে সেটা জানাতে ভুলবেন না যেন। আজ এখানেই শেষ করছি তাহলে, ভাল থাকবেন, পাশে থাকবেন!




Friday, July 5, 2019

Blogging, Comics & blah, blah, blah...

একটি ব্যতিক্রমী পোস্ট...


“আমি কেন ব্লগিং করি”— বা বিশেষ করে বললে কমিক্‌সের ব্লগই কেন? এক বিশেষ বন্ধুর অনুরোধে আজ এই পোস্টটা লিখতে বসলাম, অনেকটা ডায়েরি লেখার মতো আজকে এই পোস্টটা লেখার ইচ্ছে আছে, আর যেহেতু ডায়েরিতে কোনও কিছু এড়িয়ে যেতে নেই, তাই যতটা পারব স্বচ্ছ ভাবে লেখার চেষ্টা করব। একটু অতীতে ফিরে যাই, আজ থেকে বছর দশ-নয় আগে ইন্টারনেট ও কম্পিউটার নামক দু’টি বস্তুর ‘স্বাধীন’ সান্নিধ্যে এসে আমার সামনে এক অবাক পৃথিবীর দরজা খুলে গিয়েছিল যেন...! তারপর নানারকম কৌতূহলের সাথে অন্তর্জাল দুনিয়ায় এটা-ওটা-সেটা খুঁজতে-খুঁজতে একদিন খোঁজ পাই ডিজিটাল সংস্করণের কিছু বইয়ের। “যদি এ-ই পাওয়া যায়, তাহলে আরেকটু দেখি তো!”— এই ভেবে পছন্দের তালিকায় সবথেকে উপরে থাকা ‘কমিক্‌স বস্তুটির’ খোঁজ করতে থাকি, তাতে বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইটের খোঁজ পাই। এরপরে কৌতূহলের আরও একধাপ পেরিয়ে খোঁজ করতে থাকি বাংলা কমিক্‌সের, এবারও হতাশ হই না। বেশ কিছু বাংলা কমিক্‌সের ভাণ্ডারের ঝাঁপি আমার সামনে খুলে যায়— এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

BENGALI TreAsurE-TrovE (https://bengalitreasuretrove.blogspot.com)

The Lost WORLD (https://dara-indrajal.blogspot.com)

Bengali Indrajal Comics (https://indrajalbengali.blogspot.com)


BENGALI PDF COMICS (https://bengalipdfcomics.blogspot.com)


Bengali Comics and Books (http://www.bengalicomics.com/p/home.html)


Bengali Indrajal Comics ForEver (https://indraindrajal.blogspot.com)


এছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট রয়েছে, তবে সেগুলো ‘পুরোপুরি’ কমিক্‌সের ওয়েবসাইট নয়। এই ওয়েবসাইটগুলির অ্যাডমিনদের কারও-কারও সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিসরে পরিচিতি আছে, তবে সেটা খুবই যৎসামান্য। এছাড়াও আরও কয়েকটি বাংলা কমিক্‌সের ব্লগ রয়েছে যেগুলির কথা উল্লেখ না করলে খুবই অন্যায় হয়ে যাবে—

চিত্রচোর (https://chitrochor.blogspot.com)

Comicওনুবাদ 2.0 (https://comiconubad2.blogspot.com)

THE RETURN OF INDRAJAL COMICS!!! (https://walkerindrajal.blogspot.com)

Bangla Comics er Addaghar (https://vintagebengalicomics.blogspot.com)

গল্পঘর (Story Room) [https://galpoghar.blogspot.com]

এই ব্লগগুলোর সম্বন্ধে যা-ই বলব সেটাই কম বলা হয়ে যাবে। এবার চোখের সামনে এতগুলো কমিক্‌স জগতের দরজা খুলে যাওয়াতে আমারও মনে এরকম কিছু করার ইচ্ছে জাগে (প্রসঙ্গক্রমে জানিয়ে রাখি, আমার আজকের ব্লগ করার উৎসাহ, সাহস, অনুপ্রেরণা সবকিছুই আমি পেয়েছি মূলত তিনজনের কাজ দেখে— এক, Bengali Comics and Books-এর Amit Ghosh, দুই, Bengali PDF Comics-এর Debdatta Pati—এঁদের দু’জনের সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় নেই, অনেক খোঁজ করেও এঁদের সাথে কোনও রকম ভাবে যোগাযোগ করতে পারিনি, এবং তিন, Bengali Indrajal Comics ForEver-এর গুরুদেব ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দা’), সেটা আজ থেকে বছর সাত-ছয়েক আগেকার কথা, তা সেই ইচ্ছে পূরণ করতে করতে কেটে গেল আরও বেশ ক’বছর, তারপর গতবছরের সেপ্টেম্বর মাসে আমার সে-ইচ্ছে পূরণ করতে পারলাম (সেপ্টেম্বর মাসে ব্লগ শুরু করার আরেকটি কারণ হল, ও-মাসের মাস দুয়েক আগের থেকে—তার জের অবশ্য এখনও চলছে—আমার ব্যক্তিগত জীবনে এমন একটি ব্যাপার ঘটে যার জন্য আমার কিছু একটা অবলম্বনের প্রয়োজন ছিল— কমিক্‌স, এই ব্লগ ও বিশেষ করে আপনাদের উৎসাহ ও ভালবাসা সেই অবলম্বনের অভাব পূরণ করেছে, এটা একেবারে আমার মনের কথা!)। এবার প্রশ্ন হল একটা ইচ্ছে পূরণ করতে এতটা সময় কেটে গেল কেন? প্রথমেই বলব দ্বিধার কথা, কমিক্‌স নিয়ে ব্লগ বানাব, তা-ও আবার বাংলা কমিক্‌স (ও-জিনিস তো ছোটরা পড়ে!)! দ্বিতীয়ত, সময়— কতটা সময় দিতে পারব এর পেছনে? শুরু তো সবাই করতে পারে, সেটা চালিয়ে নিয়ে যেতে পারে ক’জন? বা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দেন ক’জন? ঠিক এই জায়গাতেই এসে প্রথমে আমি সিদ্ধান্ত নিই ব্লগে এমন কিছু একটার সংযোজন করব যাতে এটা মনে না হয় যে যেটা আমি করছি সেটা সম্পূর্ণ “ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো”, ঠিক এ-কারণেই ব্লগে অ্যাড (লাইভ অ্যাড ও শর্ট লিঙ্ক অ্যাড) যোগ করা হয় (যে-কারণে চাইলেও এই ব্লগটিকে অবাণিজ্যিক বলে উল্লেখ করতে পারি না), তবে যাঁরা অ্যাডের সম্পর্কে কিছুটা খোঁজখবর রাখেন, তাঁরা হয়তো জানবেন যে এসব অ্যাডের থেকে কীরকম ‘রিটার্ন’ পাওয়া যায়! ভাববেন না যেন আবার কোনও অজুহাত দিচ্ছি, প্রসঙ্গক্রমে জানিয়ে রাখি ব্লগ থেকে বেশ কিছু দিন হল সমস্ত শর্ট লিঙ্ক অ্যাড তুলে দেওয়া হয়েছে (তবে লাইভ অ্যাডটি রয়েছে, ওটি পোস্টের বাইরের জিনিস, চাইলে অনায়াসে অগ্রাহ্য করে এড়িয়ে যাওয়া যায়। আসলে ডাউনলোড লিঙ্কে ক্লিক করলে মূল কন্টেন্ট না খুলে একটা অন্য পেজ খুলে যাওয়ার ব্যাপারটা একজন পাঠক/দর্শক হিসেবে আমাকে অনেকদিন ধরেই কাঁটার খোঁচা দেওয়ার মতো অস্বস্তি জুগিয়ে যাচ্ছিল, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া।)।

এবার আমার একটা বদভ্যাসের কথা বলি, আমি একটা বিশেষ দলে পড়ি— এতদিন ধরে এতগুলো ওয়েবসাইট ‘ফলো’ করা বলুন, কিংবা চুপিচুপি মেইন কন্টেন্ট (মানে, মূল ডাউনলোড ফাইল— তা সে পিডিএফ/সিবিআর যা-ই হোক না কেন!) ডাউনলোড করা যা-ই বলুন না কেন, এই ব্লগগুলোতে পৃথিবীর সেরা গোয়েন্দা নিয়োগ করেও আমার করা একটা কমেন্ট খুঁজে পাবেন না! এখন নিজে একজন ‘নবিশ ব্লগার’ হয়ে বুঝতে পারি, ওসব অ্যাড-ফ্যাড/ডাউনলোড-ফাউনলোড কিস্যু নয়, ব্লগের আসল প্রাণশক্তি হল ব্লগে পাঠক/দর্শকদের একটি মূল্যবান কমেন্ট (তা সে যতই ছোট বা বড় হোক না কেন!), যেটা একজন ব্লগারকে আমার আগে বলা সেই ‘উৎসাহ’ কথাটির যোগান দেয়। আমি নিজেই যেখানে এতদিন ধরে এসব ব্লগারদের ‘নিঃস্বার্থ অবদান’-গুলোকে চুপিচুপি ‘স্বার্থপর’-এর মতো চোখ-কান-নাক বুজে শুধুই ‘ডাউনলোডিয়ে’ গেছি, সেখানে আমি আমার নিজের ব্লগে কমেন্টের আশা করিই-বা কী করে...!!!

যাকগে, একটা কমিক্‌সের ব্লগে শুধুমাত্র কতগুলো অভিযোগ-অনুযোগ, ব্যক্তিগত ভাল লাগা-মন্দ লাগা, নিজস্ব অভিজ্ঞতা-মতামতের কথা শুধু লিখেই গেলে চলবে না বুঝে আজ এই এত বৃত্তান্ত লেখার পরে একটা কমিক্‌স দিতে চলেছি, যেটাকেও একটা ব্যতিক্রমী কমিক্‌স বলা চলে। আসলে এই বিষয়ের উপর বাংলায় কমিক্‌স কোনও দিন হবে বা আদৌ হবে কিনা সে-বিষয়ে সন্দেহ আছে! কমিক্‌সটিতে সংলাপ ও ওনোম্যাটোপিয়াগুলো নিয়ে একটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার চেষ্টা করা হয়েছে। সাহস করে যদি পড়তে পারেন, আর আপনাদের ভাল লাগা-মন্দ লাগা জানাতে পারেন, তাহলে খুব ভাল লাগবে! সাহস করে বললাম এই কারণে, এই কমিক্‌সটি কঠোর ভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য; শুধুমাত্র সম্পূর্ণ নগ্নতাই যে রয়েছে তাই নয়, প্রচণ্ড মাত্রায় হিংস্রতা রয়েছে, এবং সংলাপে এমন কিছু কথা আছে যেগুলো আমরা সচারচর সবার সামনে ব্যবহার করি না। কমিক্‌সটি আগস্ট ১৯৮৪’র ‘এপিক ইলাস্ট্রেটেড (Epic Illustrated)’-এর ২৫ নং. সংখ্যা থেকে নেওয়া হয়েছে, মূল কমিক্‌সটির নাম ‘The Potty’s Over’— বাংলায় কী নাম দেওয়া হয়েছে সেটা কমিক্‌সটা পড়েই জানুন না হয়! কমিক্‌সটির মূল কাহিনি, ছবি ও রঙ সবকিছুই করেছেন বার্নি রাইটসন (Bernie Wrightson)। প্রসঙ্গক্রমে জানিয়ে রাখি এপিকের এই সংখ্যাটিতে এই কমিক্‌সটি ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি কমিক্‌স ছিল (থাকবে নাই-বা কেন? একটা এগারো পাতার কমিক্‌স দিয়ে তো আর একটা ম্যাগাজিন সম্পূর্ণ হয় না!), কিন্তু বার্নি রাইটসনের এই কাজটার কাছে সেগুলো কিছুই নয়, কমিক্‌সটিতে ওঁর আঁকা থেকে শুরু করে সবকিছু এতটাই ভাল লেগে যায় যে সাহস করে একটা অ্যাডাল্ট কমিক্‌সে (এটি কিন্তু পর্নো কমিক্‌স নয়) হাত দিয়েই ফেলি। আরেকটা কথা, যেহেতু সম্পূর্ণ এপিক কমিক্‌সটির রূপান্তর করিনি এবং এর বিষয়বস্তুর জন্য এটার কোনও ফুল কভার ব্লগে দেওয়াও যাবে না, তাই ছোট করে একটা হাফ কভার দেওয়া হল... এবার আপনাদের প্রতিক্রিয়াই সবকিছুর উত্তর দেবে। এবং এই কমিক্‌সটি উৎসর্গ করলাম তাঁদের উদ্দেশ্যে যাঁরা মনে করেন কমিক্‌স শুধুমাত্র বাচ্চাদের-ছোটদের পড়ার জিনিস!!! আজ ‘এখানেই’ শেষ করলাম তাহলে, ভাল থাকবেন, পাশে থাকবেন!

এখান থেকে সংগ্রহ করুন (সিবিআর ফর্ম্যাট)

এখান থেকে সংগ্রহ করুন (পিডিএফ ফর্ম্যাট)

Monday, June 24, 2019

Lee Falk's Phantom - The Mummy's Curse

ফ্যান্টম — মমির অভিশাপ

হ্যাঁ, মমির অভিশাপ শুনলেই প্রথমেই মাথায় যে নামটি আসে, সেটি হল টিনটিন। ব্যাপারটা বাঙালির রন্ধ্রে রন্ধ্রে এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমন একটা অবিকল নাম শুনলে মাথার মধ্যে টিনটিন উঁকি দেবেই! তবে এই কমিক্সটি বাঙালির আর এক খুবই পছন্দের (এবং অতি জনপ্রিয়) চরিত্র ফ্যান্টমের।

(অ)কর্মসূত্রে বেশ লম্বা একটা সময় বাইরে যেতে হয়েছিল, সে-কারণে ব্লগে অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলাম (যদিও আমি কতটা নিয়মিত সেটা তো একমাত্র আমিই খুব ভাল করে জানি!), তবে এটাই একমাত্র ‘অজুহাত’ বা কারণ নয়। বেশ কয়েকমাস ধরে অন্তর্জাল দুনিয়ার একটি ‘বিশেষ সামাজিক প্ল্যাটফর্মে’ ও কয়েকটি ব্লগে বাংলা অনুবাদ কমিক্স ও পুরনো দুষ্প্রাপ্য কমিক্স ব্লগের বিষয়বস্তু নিয়ে বারংবার ঘটে চলা একটা ‘বিশেষ ব্যাপার’ নিয়ে কিছুটা হতাশায় মুষড়ে পড়েছিলাম! পূর্বসূরিদের কথা মেনে সে-ব্যাপারে ভ্রূক্ষেপ করা থামিয়ে দিয়েছি ঠিকই, কিন্তু...! যে-কারণে সে-বিষয়ে কিছু উল্লেখ করতেও ইচ্ছে করছে না— ব্যাপারটা যাঁরা ঘটিয়ে চলেছেন, তাঁদের কোনওরকম ভাবেই এগুলোর থেকে বিরত রাখা যাবে না— এ-জিনিস আগেও হয়েছে, এখনও হচ্ছে, ভবিষ্যতেও হবে! যাকগে, যাঁর যা কাজ, তাঁকে সেটা করতে দেওয়াই ভাল!

আজ আপনাদের কাছে যে অনুবাদ কমিক্সটি নিয়ে এসেছি সেটির প্রকাশকাল সম্ভবত ১৯৯৫ সাল, ফ্রিউ পাবলিকেশনস্‌-এর ১১০৯ নং. সংস্করণ। কমিক্সটির গল্প লিখেছেন ইয়ান লুন্ডস্ট্রোম, ছবি এঁকেছেন জেইমি ভাল্‌ভে, মূল প্রচ্ছদ টেসা।

এবার আসি এর বাংলা অনুবাদের প্রসঙ্গে, ব্লগে এর আগে ফ্যান্টমের অনুবাদের পর ওয়াকার স্বাগত দত্ত বর্মন এই কমিক্সটি অনুবাদ করার প্রস্তাব দেয়, রাজি না হওয়ার কোনও প্রশ্নই আসে না! কিন্তু তারপরই ওই... বাইরে চলে যেতে হয়! (আ)কাজ সেরে কোলকাতায় ফিরে কমিক্স অনুবাদে তো হাত দিলাম, কিন্তু তারপরই উপরে উল্লেখিত ব্যাপারটির প্রবণতা বেড়ে যাওয়া লক্ষ্য করলাম, চোরাগোপ্তা ভাবে কিন্তু এ সমানে হয়ে চলেছে, পূর্বসূরিদের সাথে তো অহরহ হচ্ছে— অতএব, তারপর ওই মুষড়ে পড়া, সিনিয়রদের কাছ পাওয়া ভ্রূক্ষেপ না করার পরামর্শ, ইত্যাদি, ইত্যাদি...! সে যা'হোক, অনুবাদ তো হল, প্রুফ দেখা হল, ওনোম্যাটোপিয়া (Onomatopoeia) বসানো থেকে শুরু করে যাবতীয় সব কাজ হল, আটকে গেলাম প্রচ্ছদে এসে... কিছুতেই কিছু মাথায় আসছে না, এমন পরিস্থিতি! “তাহলে, কী করা?!” তো, কথাচ্ছলে চিত্রচোর রূপক ঘোষকে ব্যাপারটা বলেছিলাম, ও নির্দ্বিধায় প্রচ্ছদটা করে দিল! আর কী... তো এভাবেই সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে রূপান্তর হয়ে গেল এই কমিক্সটির। এবার এ-প্রয়াস সফল হয়েছে কিনা সেটা আপনারাই বলবেন। আরও বেশি বেশি করে কমিক্স পড়ুন ও পড়তে উৎসাহিত করুন (বিশেষ করে বাংলা কমিক্স), ভাল থাকবেন, পাশে থাকবেন!

এখান থেকে সংগ্রহ করুন (সিবিআর ফর্ম্যাট)

এখান থেকে সংগ্রহ করুন (পিডিএফ ফর্ম্যাট)

Friday, March 29, 2019

Lee Falk's Phantom - Pandora's Box

ফ্যান্টম — মায়াবী মুখোশ (সম্পূর্ণ কমিক্‌স)

কমিক্‌স নিয়ে কিছু (যেহেতু খুবই ভাললাগার একটা জিনিস) করার ইচ্ছে (ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দিকেই সেই ঝোঁকটা বেশি, যদিও ম্যানুয়ালি কিছু করার স্বপ্ন দেখি রোজ— স্বপ্ন দেখতে আর বাঁধা দিচ্ছে কে?!) বেশ অনেক বছরেরই, নানারকম টালবাহানায় সে-ইচ্ছে পূরণ করতে এতটা সময় লেগে গেল (সে-জন্য দায়ী সম্পূর্ণ আমি নিজে), যাকগে, সেটা পূরণ তো করে ফেলেছি, কিন্তু সেটাকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়াটাই বড় কথা। এখানে প্রসঙ্গক্রমে ক’টা কথা বলে নিই, আগেও বেশ ক’বার এই কথাটা বলেছি— কমিক্‌স হচ্ছে সামাজিক ভাবে একটি বাচ্চাদের জিনিস যেটা নিয়ে আমাদের মতো ধেড়ে খোকাদের মাতামাতি করাটা মানায় না! আর যেহেতু অনুবাদ করি সেহেতু অনেক রকমের সমস্যার মধ্যে আমাকে পড়তে হয় বা হয়েছে। যাকগে, অনেকক্ষণ ধরেই শুধু ‘আমি-আমি’ করে যাচ্ছি, আসল কথায় আসি— কমিক্‌স ব্লগ শুরু করার সময় থেকেই সচেতন ভাবেই ঠিক করে নিয়েছিলাম ইন্দ্রজাল, ডায়মন্ড, কমিক ওয়ার্ল্ডের চরিত্রগুলোতে (বিশেষ করে ফ্যান্টম, ম্যানড্রেক, রিপ কার্বি, ফ্ল্যাশ গর্ডন ইত্যাদি, ইত্যাদি...) হাত দেব না (আরও একটা ব্যাপার, আমার লক্ষ্য ছিল যেগুলো নিয়ে আগে বাংলায় কাজ হয়ে গেছে সেগুলোকে এড়ানো, যেগুলো নিয়ে বাংলায় একেবারেই কাজ হয়নি বা হওয়ার সম্ভাবনা নেই সেগুলোতে হাত দেওয়া), কেননা এ-ক্ষেত্রে অনেক রথী-মহারথীরা আছেন, আমি হাত দিলে শুধু ‘ঘেঁটে ঘ’ করা বা কাঁচা বাংলায় বললে ‘ছড়ানো’ ছাড়া আর কোনও অবদানই রাখতে পারব না, কেননা আমার প্রত্যেক ভাললাগার জিনিসগুলোর প্রতিই ‘অন্ধপ্রেম’ আছে কিন্তু ‘চোখখোলা জ্ঞান’টা নেই, আজও যে কমিক্‌সটি আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি সেটার সম্বন্ধেও খুব বেশি কিছু তথ্য দিতে পারব না (আর আমি নিজে না জেনে অন্যকে সেই জ্ঞান দেওয়ার পক্ষপাতী নই!), গল্পের ব্যাপারে বিশদ কিছু বলবও না এখানে, সেটা কমিক্‌সটা পড়েই জানুন না হয়। ব্লগের সাম্প্রতিকতম পোস্টে আমি মিলো মানারার ‘প্যান্ডোরা’স আইজ’-এর অনুবাদটা দিয়েছিলাম, সেটা দেখেই আমার ‘কমিক্‌স-বন্ধু’ (বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমার দ্বিতীয় কমিক্‌স-গুরু; প্রথম ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়) স্বাগত দত্ত বর্মণ (অন্তর্জাল দুনিয়ায় মিঃ ওয়াকার বলে পরিচিত; আপনাদের কাছে অনুরোধ করব এখান থেকে ওর ব্লগটাও ঘুরে আসতে, কমিক্‌সটার সম্বন্ধে কিছু তথ্য পাবেন) আমাকে এই কমিক্‌সটি অনুবাদ করার প্রস্তাব দেয়, আমি তো এক পায়ে রাজি! আসলে, আঁকা ও গল্প ভাল লাগলে আমি আর কোনও বাছবিচার করি না, আর ফ্যান্টমের মায়াজাল এড়ানো কি অতটাই সোজা?! প্রথমে একটু দ্বিধা করি, কেননা ফ্যান্টম ও ইন্দ্রজাল ইত্যাদি, ইত্যাদি...-র চরিত্রগুলোর থেকে অনেক দিনই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে আছি, তখন স্বাগতই আমাকে সাহস দেয়, সাধারণত এই কমিক্‌সটির অনুবাদ ও ‘সাজসজ্জা’ করতে যতদিন সময় লেগেছে এতটা সময় এর আগে অন্যগুলোতে কখনওই লাগেনি (কারণ সহজেই বোধগম্য!), এখানে আরেকজনের কথা না বললে অন্যায় হয়ে যাবে— পার্থ অরণ্যদেব মুখোপাধ্যায়; প্রচণ্ড ভাবে সহায়তা করেছে, দিনের পর দিন ওকে জ্বালিয়ে মেরেছি, ঘ্যানঘ্যান করেছি। অনেক পরীক্ষানিরীক্ষা, আলোচনার (সে-আলোচনা যে শুনবে নির্ঘাত তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে; এই ভেবে যে কেউ এতটাও ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারে?!) শেষে গিয়ে কমিক্‌সটা সম্পন্ন হয়, বাদবাকিটা এবার আপনাদের হাতে— ভাল লাগল না খারাপ লাগল সেটা আপনারই বলবেন। ভাল থাকবেন, পাশে থাকবেন!

এখান থেকে সংগ্রহ করুন (সিবিআর ফর্ম্যাট)

এখান থেকে সংগ্রহ করুন (পিডিএফ ফর্ম্যাট)

Tuesday, February 19, 2019

Pandora's Eyes (Complete Comics)

প্যান্ডোরার চোখ (সম্পূর্ণ কমিক্‌স)

মিলো মানারা, যাঁরা এঁর নামের সাথে পরিচিত, তাঁরা জানেন মিলো মানারা ‘কী’ নিয়ে বেশি কাজ করেন। পছন্দ-অপচন্দ রুচি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ব্যাপার, মিলো মানারার কাজ নিয়ে অনেকেই হয়তো নাক সিটকাবেন, কিন্তু এটা স্বীকার করতেই হবে ভদ্রলোকের আঁকার হাত দারুণ, অসাধারণ আঁকিয়ে উনি! শুধুমাত্র সে-কারণেই আজ মিলো মানারার একটা কাজে হাত দিতে পেরেছি, উনি যে বিষয় নিয়ে বেশি কাজ করেন, তার সামান্য কিছু ছোঁয়া এই কমিক্‌সটিতেও রয়েছে, তবে সেটা অনেকাংশেই কম। তাই সাহস করে এ-কাজটায় হাত দিয়েই ফেললাম। তবে একটা কথা আগেই বলে দিই, এই কমিক্‌সটি কিন্তু সম্পূর্ণরূপে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য— যৌনতা হয়তো নেই, কিন্তু নগ্নতা রয়েছে, হিংস্রতা রয়েছে, আরও কিছু চোরাগোপ্তা অনুভূতি রয়েছে, অতএব এটি একেবারেই বাচ্চাদের জন্য নয়। এবার সাম্প্রতিক দুয়েকটা ব্যাপার নিয়ে একটু কথা বলে নিই, গুগল প্লাস বন্ধ হয়ে গেছে, অতএব শেয়ার করার একটা বিকল্প বন্ধ হয়ে গেছে বলা যায়, আর এবার থেকে পাঠকদের সুবিধের জন্য পিডিএফের সাথে সাথে সিবিআর/সিবিজি ফর্ম্যাটেও কমিক্‌স দেওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে। ব্যক্তিগত ভাবে আমি নিজে সিবিআর/সিবিজি ফর্ম্যাটে কমিক্‌স পড়তে বেশি পছন্দ করি, আমার নিজেরও বিশ্বাস আপনারা যদি একবার সিবিআরে কমিক্‌স পড়েন তাহলে আর পিডিএফে কমিক্‌স পড়বেন না, তবে সিবিআরে ফাইল সাইজটা পিডিএফের তুলনায় অনেকটাই বেশি হয়, কিন্তু ওই যে কথায় আছে না, যত গুঁড় তত মিষ্টি! কমিক্‌সটি কেমন লাগল জানাবেন, ভাল থাকবেন!


এখান থেকে সংগ্রহ করুন (সিবিআর ফর্ম্যাট)

এখান থেকে সংগ্রহ করুন (পিডিএফ ফর্ম্যাট)

Monday, February 4, 2019

Casino Royale: James Bond 007 (Complete Comics)

ক্যাসিনো রয়্যাল— জেমস বন্ড ০০৭ (সম্পূর্ণ কমিক্‌স)


ইয়ান ফ্লেমিং-এর ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ উপন্যাস অবলম্বনে জেমস বন্ডের সম্পূর্ণ কমিক্‌স, চিত্রনাট্য – অ্যান্থনি হার্ন ও হেনরি গামিজ; ছবি – জন ম্যাকলাস্কি; প্রকাশকাল: জুলাই – ডিসেম্বর, ১৯৫৮; বঙ্গানুবাদ এবং সম্পাদনা – দেবাশীষ কর্মকার।

এখান থেকে সংগ্রহ করুন (সিবিআর ফর্ম্যাট)

এখান থেকে সংগ্রহ করুন (পিডিএফ ফর্ম্যাট)