কমিক্‌স সম্ভার — তিয়ুদাদ ~ ওয়াচমেন ~ ফ্যান্টম ~ টিনটিন ~ কুইক ও ফ্লাপকে ~ পেপি ~ ব্যাটম্যান ~ সুপারম্যান ~ হাল্ক ~ জেমস বন্ড ~ ডেথ নোট ~ মিলো মানারা ~ দ্য মমি ~ দ্য থিং ~ ব্লেয়ার উইচ ~ আগাথা ক্রিস্টি ~ এডগার অ্যালান পো

Monday, April 27, 2020

Ciudad

শহর (১ম পর্ব)



আজ রইল ২০১৪’য় অরি প্রেস থেকে প্রকাশিত হওয়া Ciudad গ্রাফিক নভেলটির প্রথম পর্বের বাংলা অনুবাদ। কাহিনি— অ্যান্ডি পার্কস, জো রুশো ও অ্যান্থনি রুশো; ছবি— ফার্নান্দো লিয়ঁ গঞ্জালেজ। ভাষান্তর ও অক্ষরবিন্যাস— দেবাশীষ কর্মকার। সম্প্রতি এই গ্রাফিক নভেলটির ওপর ভিত্তি করে ‘এক্সট্র্যাকশন’ নামে একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে, সেই আবহেই এটা সবার সাথে ভাগ করে নেওয়া আরকি...! তবে একটা কথা, এতে এমন কিছু ‘জিনিস’-এর ব্যবহার আছে, যার জন্য গ্রাফিক নভেলটির এই বাংলা সংস্করণটিকে বাধ্য হয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের শ্রেণীতে ফেলতে হয়েছে, কী সেটা আপনারা গ্রাফিক নভেলটা পড়লেই বুঝতে পারবেন। আপনাদের প্রতিক্রিয়া পেলে পরের পর্বগুলিও সবার সাথে ভাগ করে নেব। ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন, পাশে থাকবেন!



Tuesday, March 10, 2020

Batman_Sunday Newspaper Comics Strips_Translated in Bengali_(Completed)

ব্যাটম্যান (রবিবাসরীয় সংবাদপত্র সংস্করণ)


ব্যাটম্যান রবিবাসরীয় সংবাদপত্র সংস্করণের একটি সম্পূর্ণ রঙিন, বব কেন-এর ‘Holy Smoke’ অবলম্বনে বাংলা অনুবাদ কমিক্‌স ‘ধোঁয়াকান্ড। প্রকাশকাল— ৭ই জানুয়ারি থেকে ১৮ই জানুয়ারি, ১৯৪৫। চিত্রনাট্য— বিল ফিঙ্গার; ছবি— জ্যাক বার্নলে, বব কেন; রঙ— রেমন্ড পেরি। ভাষান্তর এবং অক্ষরবিন্যাস— দেবাশীষ কর্মকার।



Monday, March 9, 2020

The Incredible Hulk (Sunday Newspaper Comics Strips)_Translated in Bengali (Completed)

দ্য ইনক্রেডিব্‌ল হাল্ক (রবিবাসরীয় সংবাদপত্র সংস্করণ)

৫ই নভেম্বর থেকে ১৭ই ডিসেম্বর, ১৯৭৮ পর্যন্ত প্রকাশিত হওয়া ‘দ্য ইনক্রেডিব্‌ল হাল্ক’-এর রবিবাসরীয় সংবাদপত্র সংস্করণ। ‘টু ক্লোন এ হাল্ক’ অবলম্বনে সম্পূর্ণ রঙিন কমিক্‌স; গল্প— স্ট্যান লি, ছবি— ল্যারি লিবার। বাংলা অনুবাদ এবং বর্ণসংস্থাপন— দেবাশীষ কর্মকার।



Wednesday, January 15, 2020

Batman, Superman & The Incredible Hulk (Daily Newspaper Comics Strips: Completed)

অগস্ত্যযাত্রা...

পোস্টের হঠাৎ এমন একটা হেডিং কেন? বেশি কিছু লিখব না (এমনিতেও লেখালেখি বেশি আসে না, আর লিখতে গেলে মহাভারত হয়ে যায়), আপনারা চাইলে এখান থেকে পড়ে নিতে পারেন, কিছুটা হলেও ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন। একটা জিনিস শুরু হয়েছিল, তার পরিসমাপ্তি আজ হল বলা চলে। আগেই বলেছি, বেশি কিছু লিখব না, সোজা মোদ্দা কথায় চলে আসি তাহলে...
আজ যে কমিক্‌সগুলোর সম্ভার নিয়ে আপনাদের কাছে নিয়ে আসা হয়েছে, সেগুলো প্রতিদিনকার খবরের কাগজের কমিক্‌স সংস্করণ।
১. ব্যাটম্যান— ৩০শে মে ১৯৬৬ থেকে ৯ই জুলাই ১৯৬৬-এর ব্যাটম্যান কমিক্‌স; এই পর্বটির নাম “ক্যাটওম্যান”। কাহিনি— হুইটনি এল্‌সওর্থ। ছবি— শেলি মোল্ডফ
২. সুপারম্যান— চল্লিশের দশকে সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়া দৈনিক কমিক্‌স সংস্করণ। দু’টি পর্ব— ১) সুপারম্যান কাম্‌স টু আর্থ, ২) ওয়ার অন ক্রাইম। কাহিনি— জেরি সিগেল, হুইটনি এল্‌সওর্থ; ছবি— জো শাস্টারওয়েন বোরিং
৩. দ্য ইনক্রেডিব্‌ল হাল্ক— ৩০শে অক্টোবর ১৯৭৮ থেকে ১৮ই ডিসেম্বর ১৯৭৮-এর হাল্ক কমিক্‌স; এই পর্বটির নাম “টু ক্লোন এ হাল্ক”। কাহিনি— স্ট্যান লি। ছবি— ল্যারি লিবার
সবকটি কমিক্‌সের ভাষান্তর, অক্ষরবিন্যাস ও সম্পাদনা— দেবাশীষ কর্মকার।
আজ আর বেশি কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে না। ভাল থাকবেন, পাশে থাকবেন, ধন্যবাদ!



Monday, October 28, 2019

Blair Witch: Dark Testaments

ব্লেয়ার উইচ: ডার্ক টেস্টামেন্টস

২০০০ সালের অক্টোবর মাসে ইমেজ কমিক্‌স থেকে প্রকাশিত সম্পূর্ণ রঙিন কমিক্‌স— ব্লেয়ার উইচ: ডার্ক টেস্টামেন্টস। কাহিনি – ইয়ান এডগিনটন, ছবি – চার্লি অ্যাডলার্ড, রঙ – নিক বেল ব্রায়ান হ্যাবারলিনভাষান্তর, অক্ষরবিন্যাস ও সম্পাদনা – দেবাশীষ কর্মকার।


এখান থেকে সংগ্রহ করুন (সিবিআর ফর্ম্যাট)

এখান থেকে সংগ্রহ করুন (পিডিএফ ফর্ম্যাট)

Wednesday, September 18, 2019

Watchmen by Alan Moore & Dave Gibbons (Translated in Bengali)

ওয়াচমেন (১ম অধ্যায়) —অ্যালান মুর ও ডেভ গিবন্‌স

ওয়াচমেনের নাম করলেই প্রথম যে নামটা মাথায় ভেসে আসে, তিনি হলেন অ্যালান মুর। ফ্রাঙ্ক মিলারের ভক্তদের একটু রাগিয়েই বলছি, আমার কাছে মুর শুধুমাত্র গল্প লিখেও মিলারের থেকে অনেক এগিয়ে— যেখানে মিলার গল্পের সাথে সাথে ছবিও আঁকেন। যাকগে, “মুর না মিলার, কে বড়?” তা নিয়ে তর্ক বাঁধিয়ে লাভ নেই, তবে আমি যে মুরের ভক্ত সেই রহস্য ভেদ করার জন্য কোনও পুরস্কার নেই! মুরের আমি প্রথম যে কাজটা দেখি সেটা হল “দ্য কিলিং জোক”— এই বিশেষ কমিক্‌সটা নিয়ে আমি আর বেশি কথা বাড়াতে চাই না, কেননা এর সাথে এক “হৃদয়বিদারক স্মৃতি” (এক বিশেষ জনকে উদ্দেশ্য করে বলছি, আমি কিন্তু কিছুই বলিনি!) জড়িয়ে আছে! তা, এই “কিলিং জোক” পড়ে আমি তো “কিলিং” হয়ে পড়েছিলাম, তারপরই মুরের সব কাজ চাক্ষুষ করার ‘লোভটা’ জেগে ওঠে। বেশ ভালই চলছিল, কিন্তু চলতি বছরের জুলাই মাস নাগাদ একটা মুষড়ে পড়া খবরে চোখ পড়ে—যে অ্যালান মুর নাকি লেখালেখি থেকে অবসর নিচ্ছেন! ভক্তরা সবসময়ই তাদের ভালবাসার লোককে তাঁদের সৃষ্টির মধ্যে দেখতে পছন্দ করে, মনে মনে মুরের ফিরে আসার বাসনা নিয়েও বলছি—উনি একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—“মুরের লেখনীর আর সেই ধার নেই” শোনার থেকে “মুরের থেকে আরও অসাধারণ কাজ আমরা পেতে পারতাম” শোনা অনেক ভাল! ধন্যবাদ, অ্যালান মুর, এত বছর ধরে আমাদের এত দারুণ দারুণ কাজ উপহার দেওয়ার জন্য!

গল্পকার অ্যালান মুর
অঙ্কন-শিল্পী ডেভ গিবন্‌স

এবার ওয়াচমেনের বাংলা অনুবাদের প্রসঙ্গে আসি— ওয়াচমেন অনেক দিন থেকেই বাংলায় করার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু ঠিক সাহস পাচ্ছিলাম না, কেননা ওয়াচমেনে এত রেফারেন্সের ছড়াছড়ি যে ভাবানুবাদ তো দূর, আক্ষরিক অনুবাদ করতে গেলেও দাঁত (পড়ুন কী-বোর্ড) ভেঙে যাওয়ার জোগাড় হয়! চলতি বছরের গোড়ার দিকে কলেজ স্ট্রিটের আড্ডায় “চিত্রচোর” রূপক ঘোষ এরপরে কীসে হাত দেওয়া হবে জিজ্ঞেস করাতে সাতপাঁচ না ভেবে ওয়াচমেন বলে দিই, শুনে ও বলে যে ওরও নাকি ওয়াচমেন করার ইচ্ছে ছিল, না-করার কারণগুলো প্রায় একই (সময়, সাহস)। এরপরেই ও ওয়াচমেনের প্রচ্ছদ করার প্রস্তাব দেয় (প্রস্তাবটা অবশ্য ওয়াচমেনে হাত দেওয়ার পর পাকাপাকি হয়), যেটা শুনে মনে মনে দু’হাত তুলে নেচে উঠেছিলাম— “হুঁ, হুঁ, বাওয়া! এত দিনে একটা ‘শোধ’ তোলা গেছে!” তা অনুবাদে হাত দিয়ে দাঁত / কী-বোর্ড সবই ভাঙচুর হয়, সবথেকে যেটা বেশি হয়েছে সেটা হল অনুবাদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর গ্রাফিতি, পোস্টার, ওনোম্যাটোপিয়া (এই পর্বে অবশ্য এই জিনিসটির অনুপস্থিতিটাই বেশি চোখে পড়বে), এসব বাংলায় রূপান্তরিত করা হবে কিনা ভেবে-ভেবে। পরে অবশ্য সে-দ্বন্দ্বযুদ্ধের পাঁকে পড়ে বারবার অনেক কিছুরই পরিবর্তন করতে হয়েছে। অনুবাদে হাত দেওয়ার পর নমুনা হিসেবে কমিক্‌স-বন্ধু / সিনিয়রদের এক-দু’পাতা দেখানোয় ইন্দ্রনীল কাঞ্জিলাল দা’ নিজে থেকেই প্রুফ-রিডারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন (আর আমিও হাঁফ ছেড়ে বাঁচি!)। এবার নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন ওয়াচমেন বাংলায় ‘তৈরি’ করতে এতটা সময় কেন লেগেছে। বাদবাকিটা এবার আপনাদের হাতে, পড়ে আপনাদের ভাল লাগলে আমাদের এই পরিশ্রম সার্থক বলে মনে করব। আর হ্যাঁ, মাতৃভাষায় আরও বেশি বেশি করে কমিক্‌স পড়ুন ও পড়ান। আজ এখানেই শেষ করছি তাহলে, ভাল থাকবেন, পাশে থাকবেন!


ওয়াচমেন: মূল কাহিনী অ্যালান মুর। আঁকা ডেভ গিবন্‌স। রঙ জন হিগিন্‌স। প্রথম প্রকাশ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬

কাহিনী ও অঙ্কনের মেলবন্ধন

বাংলা সংস্করণের পরিকল্পনা, অনুবাদ, বর্ণসংস্থাপন ও সম্পাদনা
 দেবাশীষ কর্মকার। বর্ণ, শব্দ ও বাক্য পরিমার্জনা ইন্দ্রনীল কাঞ্জিলাল। প্রচ্ছদ রূপান্তর রূপক ঘোষ

মূল এবং রূপান্তরিত প্রচ্ছদ



Monday, July 22, 2019

Death Note: Volume 1, Chapter 2 — L (Translated in Bengali)

ডেথ নোট: ১ম খণ্ড, ২য় পর্ব — এল্‌


মাঙ্গা কী সেটা মাঙ্গা-প্রেমী, অ্যানিমি-প্রেমী ও কমিক্‌স-প্রেমীরা কমবেশি সকলেই জানেন; সোজা কথায় মাঙ্গা জাপানের কমিক্‌স। মাঙ্গা নিয়ে পছন্দ-অপছন্দের ঘ্যানঘ্যানানি না শুরু করে আজ মাঙ্গার একটা ‘বিশেষ অসুবিধে’র (কয়েক জনের মতে) কথা বলি। সোজা ভাষায় বললে ‘টেকনিক্যাল’ অসুবিধে; কেননা মাঙ্গা পড়তে হয় ডানদিক থেকে বাঁদিকে (এই মাঙ্গাটির ১ম পর্বে মাঙ্গা কীভাবে পড়তে হয় সেটা একটা ছবির সাহায্যে বোঝানো ছিল)— যেটা আমাদের কাছে প্রথম-প্রথম একটু খটোমটো লাগে বৈকি, যেহেতু আমরা বাঁদিক থেকে ডানদিকে লেখা পড়ে অভ্যস্ত। তো এই চিন্তাভাবনা থেকেই একটা পরীক্ষা করার চিন্তাভাবনা করলাম (খেয়েদেয়ে কাজ না থাকলে যা হয় আরকি!), ব্যাপারটা হয়তো আগেও অনেকেই বা কেউ করেছেন, তাই আমিই এই পরীক্ষা নতুন করেছি বলে বুক বাজাব না! কী পরীক্ষা সেটা আপনারা না হয় মাঙ্গাটা পড়েই আমাকে জানান।
আজ থাকছে আপনাদের জন্য ‘ডেথ নোট’-এর ১ম খণ্ডের ২য় পর্ব— ‘এল্‌’। কাহিনি — সুগুমি ওহোবা, ছবি — তাকেশি ওবাতা। অনুবাদ ও সম্পাদনা — দেবাশীষ কর্মকার।
বিশেষ পরীক্ষাটা কেমন লাগল, বা অনুবাদ কেমন লাগল, বা আরও ভালমন্দ কিছু বলার থাকলে সেটা জানাতে ভুলবেন না যেন। আজ এখানেই শেষ করছি তাহলে, ভাল থাকবেন, পাশে থাকবেন!